hms_logo

  • English
  • বাংলা

Hajj Agency News

বেসরকারি হজযাত্রী নিবন্ধনে ব্যাংকে জমা দেওয়া হজযাত্রী প্রতি টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করা সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তি

June 29, 2016

এতদ্বারা সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বেসরকারি প্যাকেজের হজযাত্রী নিবন্ধনের নিমিত্ত ব্যাংকে জমা দেওয়া হজযাত্রী প্রতি ১.২৬,৬৮৯.৬৮(এক লক্ষ ছাব্বিশ হাজার ছয়শত উননব্বই টাকা আটষট্টি পয়সা)টাকা কোন ক্রমেই ব্যাংক থেকে উত্তোলন করা যাবে না । এ টাকা শুধুমাত্র বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিঃ বা সৌদি এয়ারলাইন্স লিঃ কে হজযাত্রীদের টিকেটের জন্য প্রদান করতে হবে । উক্ত ২টি এয়ারলাইন্স এর নামে পে-অর্ডার করা যাবে। অন্য কাজে বা অন্য কাউকে এ অর্থ পরিশোধ করা যাবে না ।

বিস্তারিত তথ্য ডাউনলোড করার জন্য এইখানে ক্লিক করুন

পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে “হজ কল সেন্টার” বন্ধ থাকা বিষয়ক বিজ্ঞপ্তি

June 30, 2016

সকলের সদয় অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, আগামি ১.০৭.২০১৬ ইং তারিখ হতে ৯.০৭.২০১৬ইং তারিখ পর্যন্ত পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষ্যে “হজ কল সেন্টার” বন্ধ থাকবে । সকলের সহযোগিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ।

অনিবাসী বাংলাদেশী নাগরিক(NRB) গণের বাংলাদেশী পাসপোর্ট জমা সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি

June 28, 2016

এতদ্বারা সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ২০১৬ সনে হজে গমনের জন্য প্রাক-নিবন্ধিত এবং প্রাক-নিবন্ধন ক্রমিক নং ৮৮২০০ এর মধ্যে আছেন এমন অনিবাসী বাংলাদেশী নাগরিক(NRB) যারা এখনও বাংলাদেশী পাসপোর্ট জমা দেননি বা নিবন্ধন সম্পন্ন করেননি, তাঁরা এ বছরের হজে যাবেন কিনা এবং তাদের মাহরাম সম্পর্কিত কোন মহিলা হজযাত্রী (প্রাক-নিবন্ধিত এবং ক্রমিক নং -৮৮২০০ এর মধ্যে) আছেন কিনা তা পরিচালক, হজ অফিস, আশকোনা, ঢাকা কে আগামী ০২(দুই) দিনের মধ্যে (৩০.০৬.২০১৬ তারিখ পর্যন্ত) জানানোর জন্য অনুরোধ করা হলো। অধিকন্ত একই সময়ে এ সকল হজযাত্রীদের নিবন্ধন কার্যক্রমও নিষ্পন্ন করার জন্য পরামর্শ দেয়া হলো । অন্যথায় এ সকল হজযাত্রীর (অনিবাসী বাংলাদেশী নাগরিক এবং তাদের মাহরাম বা সাথী মহিলা) প্রাক-নিবন্ধন বাতিল পূর্বক তাঁদের ক্রমিক শুন্য ঘোষনা করা হবে ।

বিস্তারিত তথ্য ডাউনলোড করার জন্য এইখানে ক্লিক করুন

২০১৬ সালে হজে ব্যবহৃত সরকারি গাইডদের জন্য আবেদন, রাষ্ট্রীয় খরচে হজ পালন, স্টিকার ভিসার আবেদন , পাসপোর্টের তথ্য পরিবর্তন এবং হজযাত্রী পরিবর্তন এর ৫টি প্রয়োজনীয় ফরম

June 29, 2016

এতদ্বারা সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ২০১৬ সালের হজে ব্যবহৃত সরকারি গাইডদের জন্য আবেদন ফরম, রাষ্ট্রীয় খরচে হজ পালনের ফরম, স্টিকার ভিসার আবেদন ফরম, পাসপোর্টের তথ্য পরিবর্তন ফরম এবং হজযাত্রী পরিবর্তন ফরম সংযুক্ত আকারে প্রদান করা হলো ।

বিস্তারিত তথ্য ডাউনলোড করার জন্য এইখানে ক্লিক করুন

প্রাক-নিবন্ধন এর বিষয়ে সাধারণ কিছু প্রশ্ন ও তথ্য উপাত্ত

June 26, 2016

২০১৬ সালে প্রথমবারের মত হজে গমনেচ্ছুদের প্রাক-নিবন্ধন ব্যবস্থা চালু হওয়ার কারণে কিছু কিছু বিষয়ে প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে। জনমনের বিভ্রান্তি এড়াতে, উক্ত প্রশ্নের উত্তর নিম্নে দেয়া হল:

পরিবারের পুরুষের নিবন্ধন হয়েছে কিন্ত মহিলার হয়নি কেন?

প্রাক-নিবন্ধন বিষয়ে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির হজযাত্রীর পরিবারভুক্ত পুরুষ ও মহিলাকে একই ভাউচারের মাধ্যমে নিবন্ধন ফি জমা করার কথা থাকলেও তা না করায় এই পরিস্থিতি হয়েছে। বিষয়টি প্রাক নিবন্ধন সিস্টেমের প্রশিক্ষণের সময় বলা হয়েছিল এবং ইউজারদের জন্য প্রণীত ইউজার ম্যানুয়ালে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল।

এজেন্সিরা এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে তালিকাসহ আবেদন জমা দিয়েছেন, যা মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত কমিটি পরীক্ষা করে দেখেছে।

পরিবারের মহিলার নিবন্ধন হয়েছে কিন্ত পুরুষের হয়নি কেন?

প্রাক নিবন্ধন বিষয়ে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির মহিলা হজযাত্রীর সঙ্গে মাহরামকে একই ভাউচারের মাধ্যমে নিবন্ধন ফি জমা করার বাধ্যবাধকতা থাকলেও তা না করে অন্য পুরুষের সঙ্গে একই ভাউচারের মাধ্যমে নিবন্ধন ফি জমা করায় এই পরিস্থিতি হয়েছে। বিষয়টি প্রাক নিবন্ধন সিস্টেমের প্রশিক্ষণের সময় বলা হয়েছিল এবং ইউজারদের জন্য প্রণীত ইউজার ম্যানুয়ালে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল।

এজেন্সিরা এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে তালিকাসহ আবেদন জমা দিয়েছেন, যা মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত কমিটি পরীক্ষা করে দেখেছে।

পরিবারের একজনের নিবন্ধন হয়েছে কিন্ত অপরজনের হয়নি কেন?

প্রাক নিবন্ধন বিষয়ে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির হজযাত্রীর পরিবারভুক্ত সদস্যদের একই ভাউচারের মাধ্যমে নিবন্ধন ফি জমা করার কথা থাকলেও তা না করায় এই পরিস্থিতি হয়েছে। বিষয়টি প্রাক নিবন্ধন সিস্টেমের প্রশিক্ষণের সময় বলা হয়েছিল এবং ইউজারদের জন্য প্রণীত ইউজার ম্যানুয়ালে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল।

এজেন্সিরা এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে তালিকাসহ আবেদন জমা দিয়েছেন, যা মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত কমিটি পরীক্ষা করে দেখেছে।

প্রাক-নিবন্ধন সার্ভার কেন ২৪ ঘন্টা চলমান ছিল না?

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্দেশিত সময়সূচি অনুযায়ী প্রাক নিবন্ধন সার্ভার চালু রাখা হয়েছিল। সার্ভার চালুর সময়সূচি ওয়েবসাইটে পূর্ব-বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সকলকে অবহিত করা হয়েছে।

প্রাক-নিবন্ধন সার্ভার বন্ধ থাকার সময়ে কি কারো পক্ষে ডাটা এন্ট্রি সম্ভব ছিল?

একেবারেই না। প্রাক-নিবন্ধন সার্ভার বন্ধ থাকার সময় কারো পক্ষে ডাটা এন্ট্রি সম্ভব নয়। প্রাক-নিবন্ধন চলাকালীন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত আইটি সংক্রান্ত কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, তদারকি ও তত্ত্বাবধান কমিটির সদস্যবৃন্দ এবং বুয়েটের কম্পিউটার বিভাগের অধ্যাপকবৃন্দ একাধিকবার সার্ভার ও ডাটা পরিদর্শন / যাচাই করেছেন।

প্রাক-নিবন্ধন সিস্টেমে কি fake NID ব্যবহার করা সম্ভব?

১৮ বছরের উপর সকল হজযাত্রীর জাতীয় পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক, যা জাতীয় পরিচয়পত্র তথ্য ভান্ডার হতে অনলাইনে সরাসরি যাচাই হয়ে এসেছে। ফলে, fake NID ব্যবহার করা সম্ভব নয়। এছাড়াও, যে সকল ব্যক্তির  তথ্য জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ভান্ডার কর্তৃক যাচাই হয়নি অর্থাৎ যাদের বয়স ১৮ বছরের নীচে এবং যারা প্রবাসী বাংলাদেশী তাঁদের জন্ম নিবন্ধন সনদ বা উক্ত দেশের প্রমাণক (প্রাক্-নিবন্ধন সার্ভারে এন্ট্রিকৃত) ব্যাংক কর্মকর্তা যাচাই করে প্রাক-নিবন্ধন  সম্পন্ন করেছেন।

অনেক পুরোনো ও অভিজ্ঞ এজেন্সি ১৫০ এর নিচে প্রাক-নিবন্ধন  করতে পারেনি। এখানে কারো পক্ষে আলাদাভাবে ডাটা এন্ট্রির সুযোগ ছিল কিনা?

বুয়েটের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ কর্তৃক পরীক্ষিত এই সিস্টেমটিতে কোন এজেন্সির জন্য আলাদাভাবে খসড়া ডাটা ইনপুট করার কোন সুযোগ নেই। প্রাক্- নিবন্ধন সার্ভারে ডাটা এন্ট্রি করলেই তাঁকে কোন ক্রমিক নম্বর দেয়া হয়নি। ব্যাংকে প্রাক্-নিবন্ধন জামানত নিশ্চিত না করা পর্যন্ত তার তথ্যাবলী খসড়া আকারে থেকেছে। যে সকল ব্যক্তির  তথ্য জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ভান্ডার কর্তৃক যাচাই হয়নি অর্থাৎ যাদের বয়স ১৮ বছরের নীচে এবং যারা প্রবাসী বাংলাদেশী তাঁদের জন্ম নিবন্ধন সনদ বা উক্ত দেশের প্রমাণক (প্রাক নিবন্ধন সার্ভারে এন্ট্রিকৃত) ব্যাংক কর্মকর্তা যাচাই করে প্রাক্-নিবন্ধনের জামানত গ্রহণ করেছেন। এখানে উল্লেখ্য, ২৩টি ব্যাংকের কয়েক শতাধিক ব্রাঞ্চ প্রাক-নিবন্ধন করেছে।

ডাটা এন্ট্রির সফলতার জন্য এজেন্সির বয়স বা অভিজ্ঞতার চাইতে এজেন্সির কর্মচারী / কর্মকর্তাদের কম্পিউটার বিষয়ে দক্ষতা, তাদের ডাটা এন্ট্রি কার্যক্রমের উপর এজেন্সি পরিচালনাকারির নিবিড় তত্ত্বাবধান এবং সরকার নির্ধারিত প্রাক নিবন্ধন জামানত প্রদানের আর্থিক সক্ষমতা মূল বিষয়।

ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক ২০১৬ সালের জন্য প্রকাশিত এজেন্সির তালিকা এবং হজ অফিসের সঙ্গে চুক্তির পরই এজেন্সিদেরকে ডাটা এন্ট্রি ইউজার প্রদান করা হয়েছে।পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, প্রথম ৪০০ সিরিয়ালের লাইসেন্সের মধ্যে ১৬৪ টি লাইসেন্স ডাটা এন্ট্রি করেছে, যার ৭০ টি এজেন্সি (৪২.৬৮%) এজেন্সি প্রতি ন্যূনতম কোটার হজযাত্রীর টাকা ব্যাংকে পরিশোধ করে তাদের মাধ্যমে প্রাক নিবন্ধন করেছে। ৪০০ সিরিয়ালের পর হতে ১৫০০ সিরিয়ালের লাইসেন্সের মধ্যে ৫২৯ টি লাইসেন্স ডাটা এন্ট্রি করেছে, যার ২২১ টি এজেন্সি (৪১.৭৭%) এজেন্সি প্রতি ন্যূনতম কোটার হজযাত্রীর টাকা ব্যাংকে পরিশোধ করে তাদের মাধ্যমে প্রাক নিবন্ধন করেছে।

প্রাক  নিবন্ধনের স্বচ্ছতা কীভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে?

  • প্রাক্-নিবন্ধন সার্ভারে ডাটা এন্ট্রি করলেই তাকে কোন ক্রমিক নম্বর দেয়া হয়নি। ব্যাংকে প্রাক্-নিবন্ধন জামানত নিশ্চিত না করা পর্যন্ত তার তথ্যাবলী খসড়া আকারে থাকছে।
  • যে সকল ব্যক্তির তথ্য জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ভান্ডার কর্তৃক যাচাই হবে না অর্থাৎ যাদের বয়স ১৮ বছরের নীচে এবং যারা প্রবাসী বাংলাদেশী তাঁদের জন্ম নিবন্ধন সনদ বা উক্ত দেশের প্রমাণক (প্রাক্-নিবন্ধন সার্ভারে এন্ট্রিকৃত) ব্যাংক কর্মকর্তা মিলিয়ে দেখবেন এবং প্রাক্-নিবন্ধনের জামানত গ্রহন করেছেন।
  • প্রাক্-নিবন্ধন সার্ভারের তথ্যাবলি নিরীক্ষণের (Audit) জন্য সরকার একটি কমিটি গঠন করেছে যেখানে দেশের কম্পিউটার বিশেষজ্ঞরা আছেন। তাঁরা প্রাক্-নিবন্ধন সার্ভারের তথ্যবলী সময়ান্তরে যাচাই করেছেন।
  • ব্যাংক কর্তৃপক্ষ প্রাক্-নিবন্ধনের জামানতের টাকা প্রাপ্তি প্রাক্-নিবন্ধন সার্ভারে নিশ্চিত করলেই উক্ত সময়ের খালি ক্রমিক নম্বরটি প্রাক্-নিবন্ধনকারীকে প্রদান করা হয়েছে। প্রতিটি ক্রমিক নং ধারাবাহিকভাবে প্রদান করা হবে যাতে তারিখ ও সময় উল্লেখ ছিল| ক্রমিক নম্বর কোথাও খালি রাখার কোন সুযোগ নেই। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তাৎ্ক্ষনিকভাবে হজযাত্রীকে প্রাক্-নিবন্ধনের ক্রমিক সনদ প্রিন্ট করে তাৎক্ষণিকভাবে প্রদান করেছেন।

সৌদি ই-হজ সিস্টেম ও বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনা সিস্টেম:

হজ ব্যবস্থাপনাকে সুষ্ঠু করার লক্ষে সৌদি সরকার তার মন্ত্রণালয়সমূহের দাপ্তরিক কার্যাবলী  ডিজিটাল সিস্টেমে রূপান্তর করছে, যা ই-হজ সিস্টেম নামে পরিচিত। সারা পৃথিবীর হজ এজেন্সিগণ  সরাসরি এখানে সৌদি সরকারের নিয়মানুযায়ী ও চাহিত তথ্যাবলী প্রবেশের মাধ্যমে ভিসা এবং অন্যান্য কার্যাবলী সম্পন্ন করবেন। সৌদি সরকারের নিয়মানুযায়ী প্রত্রিটি দেশের বৈধ হজ এজেন্সিগণের মোনাজ্জেমকে (হজ এজেন্সির মনোনীত প্রতিনিধি যিনি সৌদি আরবে দাপ্তরিক কার্যাবলী করবেন) উক্ত ই-হজ সিস্টেমের ব্যবহারকারী হিসাবে পাসওয়ার্ড প্রদান করবে, যা কোনভাবে দ্বিতীয় কোন ব্যক্তিকে (এমনকি কোন দেশের সরকারি দপ্তর বা তাদের আইটি প্রতিনিধি) প্রদান করা হবে না।

ই-হজ সিস্টেমে প্রতিটি এজেন্সির পাসওয়ার্ড  শুধুমাত্র উক্ত এজেন্সির মোনাজ্জেম জানবেন এবং ই-হজে তার করণীয় বিষয়সমূহ নিজেই সম্পাদন করবেন, এটাই সৌদি সরকারের নিয়ম এবং এখানে সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারের কোন দাপ্তরিক কার্যাবলী নেই বলে সরকার শুধুমাত্র মোনাজ্জেম তৈরি করা ছাড়া এখানে আর কোন কাজ করতে পারে না।

এজেন্সির মোনাজ্জেমগণ ই-হজ সিস্টেমে কি করবেনঃ

১.         নিজ অফিসে বা অন্য কোন স্থানে MRP Scanner এর মাধ্যমে পাসপোর্ট স্ক্যান করে হজযাত্রীর তথ্য প্রবেশ করাবেন। তিনি নিজে এখানে যে পাসপোর্ট স্ক্যান করবেন, তাই একমাত্র সৌদি সরকার ভিসার জন্য বিবেচনা করবেন এবং এখানে পাসপোর্ট  স্ক্যানের জন্য উক্ত দেশের সরকারের কোন অনুমোদন প্রয়োজন হয় না।

২.         সৌদি আরবে তাঁর ব্যাংক এ্যাকাউন্ট হতে পেমেন্ট করে হজযাত্রীদের আবাসন (মক্কা ও মদিনা) ক্যাটারিং, বাস টিকেট ইত্যাদি ক্রয় করবেন।

৩.         সৌদি সরকারের নিয়মাবলী মেনে অন্যান্য কার্যাবলী শেষে ভিসার আবেদন (Sent to MOFA) করবেন, যা ই-হজ সিস্টেম হতে বাংলাদেশে অবস্থিত সৌদি দুতাবাসের সার্ভারে প্রেরিত হবে।

সৌদি ই-হজ সিস্টেম সৌদি হজ মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিযুক্ত আইটি প্রতিষ্ঠান Sejel Tech ব্যবস্থাপনা করেন। কোন ভাবেই বাংলাদেশের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় বা তাদের মন্ত্রণালয় কর্তৃক নিয়োগকৃত আইটি প্রতিষ্ঠান বিজনেস অটোমেশনকে হজ এজেন্সির ব্যবস্থাপনা পাসওয়ার্ড প্রদান করে না। বেসরকারি এজেন্সিদের ই-হজ সংক্রান্ত কার্যক্রম একান্ত ভাবেই, হজ এজেন্সি ও সৌদি Sejel Tech এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

সৌদি সরকারের নিয়মানুযায়ী ভিসা অনলাইন আবেদন সরাসরি ই-হজের মাধ্যমে হজ এজেন্সির মোনাজ্জেম করেন এবং উক্ত পাসপোর্টসমূহে ভিসা স্ট্যাম্পিংয়ের জন্য পরিচালক, হজ অফিস, ঢাকার নিকট প্রদান করে। পরিচালক, হজ অফিস উক্ত পাসপোর্টসমূহ নিবন্ধিত হজযাত্রীর তালিকার এবং পুলিশ প্রতিবেদনের সঙ্গে যাচাইয়ের জন্য তার দপ্তরের কর্মকর্তাদের নিকট প্রেরণ করেন। তাঁরা নিরীক্ষার পর, নিরীক্ষা প্রতিবেদনসহ ভিসার জন্য ডি.ও (DO) প্রস্তুত করে পরিচালকের নিকট পেশ করেন। পরিচালকের ডিও স্বাক্ষর শেষে পাসপোর্টসমূহ হজ অফিসের কর্মকর্তা সৌদি দুতাবাসে নিয়ে ভিসা শেষে তা আবার হজ অফিসে হজ এজেন্সিদের ফেরত দেন।

এই কর্ম প্রক্রিয়ার হজ অফিসের  পরিচালকের নেতৃত্বে হজ অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ যাচাই, নিরীক্ষা ও পাসপোর্ট সংক্রান্ত কার্যাদি করেন।  বিধায় নিবন্ধিত হজযাত্রী ব্যতীত অন্য  পাসপোর্ট লজমেন্ট ও ভিসা করানো সম্পূর্ন ঢাকা হজ অফিসের এখতিয়ারভুক্ত।

নিবন্ধিত হজযাত্রী ব্যতীত অন্যান্যদের ভিসা লজমেন্ট এবং ভিসা করানোর  এখতিয়ার  হজ অফিস, ঢাকার। বিজনেস অটোমেশন কেবলমাত্র কারিগরি সহায়তা প্রদান করে।

তাহলে বাংলাদেশে হজ ব্যবস্থাপনার জন্য আলাদা সিস্টেম কেন?

হজ ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম’ (HMIS) হজযাত্রীদের একটি ডাটাবেজ, যেখানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সরাসরি তথ্য প্রদান এবং রিপোর্ট গ্রহণ করেন। এর মূল উদ্দেশ্যসমূহঃ

  • হজযাত্রীদের ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কাজে গতিশীলতা আনায়ন;
  • সৌদি আরবে হারানো হাজীদের তথ্য বের করে তাদেরকে সহায়তা করা এবং সৌদিতে অবস্থানরত আত্মীয়স্বজনদেরকে আগত হজযাত্রীদের তথ্য দিয়ে সহায়তা করা;
  • হজযাত্রীদের বিভিন্ন তথ্য ওয়েবসাইট বা হজ অফিসে অবস্থিত তথ্য সহায়তা কেন্দ্রে আগতদের তথ্য দিয়ে সহায়তা করা।

হজ্জযাত্রীদের হজ্জের আরকান আহকাম সম্পর্কে প্রশিক্ষন প্রদান

June 21, 2016

উপর্যুক্ত বিষয়ের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষপূর্বক জানানো যাচ্ছে যে জাতীয় হজ্জ ও  ওমরাহ-নীতি ১৪৩৭ হিজরী /২০১৬-খ্রি: অনুযায়ী এজেন্সি কর্তৃক হজ্জযাত্রীদের প্রশিক্ষন প্রদানের জন্য নিম্নোক্ত নীতি বিধৃত আছে :
৫.২.৭:  হজ্জযাত্রীদের প্রশিক্ষন প্রদান ও প্রয়োজন বেসরকারী এজেন্সির উদ্যোগে প্রশিক্ষণে সহায়তা প্রদান:
৭.৮:    হজ্জ এজেন্সি সমূহ হজ্জযাত্রীদের  হজ্জের  আরকান, সৌদি আইন কানুন, ভ্রমণের নিয়ম- কানুন, নাগরিক জ্ঞান [civic sense] ব্যাগেজরুল ইত্যাদি বিষয়ে নিজ নিজ উদ্যোগ বা ঢাকা হজ্জ অফিসের সহায়তায় প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করবে ।
জাতীয়  হজ্জ ও ওমরাহ নীতির আলোকে স্ব স্ব এজেন্সি হজ্জযাত্রীদের প্রশিক্ষণ প্রদানের উদ্যোগ প্রহণ করা হয়ে থাকলে পরিকল্পিত প্রশিক্ষনসূচি ও স্থান সম্পর্কে জরুরী ভিক্তিতে হজ্জ অফিস, ঢাকা – কে অবহিতকরণের জন্য অনুরোধ করা হল ।

বিস্তারিত তথ্য ডাউনলোড করার জন্য এইখানে ক্লিক করুন

২০১৬ সালের জন্য সরকার কর্তৃক অনূমোদিত ৫ম ওমরাহ্ এজেন্সীর তালিকা প্রকাশ

June 14, 2016

২০১৬ সালের জন্য সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ৫ম ওমরাহ্‌ এজেন্সীর তালিকাটি নিম্ন থেকে ডাউনলোড করে দেখুন ।

বিস্তারিত তথ্য ডাউনলোড করার জন্য এইখানে ক্লিক করুন

বেসরকারি ব্যবস্থাপনাধীন হজ গাইডদের তালিকা প্রেরণ

June 13, 2016

উপর্যুক্ত বিষয়ের পরিপ্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, ২০১৬-সালের হজ কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী ৪৮৩টি এজেন্সি ভিত্তিক গাইডের সংখ্যা ০৮-০৬-২০১৬ খ্রিঃ তারিখের মধ্যে প্রেরণের অনুরোধ সত্ত্বেও তালিকায় বর্ণিত ১১১(একশত এগার) টি হজ এজন্সি সফট এবং হার্ড কপি হজ অফিস, ঢাকায় প্রেরণ না করায় গাইডের নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হচ্ছে না । নির্ধারিত ছকে জরুরি ভিত্তিতে হার্ড ও সফট কপি এক্সেল সীটে গাইডের তথ্য আগামী ১৪-০৬-২০১৬ খ্রিঃ তারিখ বিকাল ৩.০০ ঘটিকার মধ্যে হজ অফিস, ঢাকায় ই-মেইল নং- hajjoffice3@gmail.com তে প্রেরণের জন্য অনুরোধ করা হলো ।

বিস্তারিত তথ্য ডাউনলোড করার জন্য এইখানে ক্লিক করুন

হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পর্কিত বিজ্ঞপ্তিঃ

June 9, 2016

২০১৬ খ্রিঃ (১৪৩৭ হিজরী) সালের হজ কার্যক্রমে বেসরকারি প্যাকেজে হজযাত্রী নিবন্ধনের জন্য যাঁরা ইতোমধ্যে ভাউচার প্রিন্ট করেছেন তাঁরা অদ্য ০৯/০৬/২০১৬ খ্রিঃ বিকাল ৪.০০ ঘটিকা পর্যন্ত নিবন্ধন কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।

বিস্তারিত তথ্য ডাউনলোড করার জন্য এইখানে ক্লিক করুন

হজযাত্রীদের পিলগ্রিম আইডি প্রদান প্রসঙ্গে

June 12, 2016

এতদ্দারা সকলের সদয় অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, হজ-২০১৬ এর প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে । এখন সকল নিবন্ধিত হজযাত্রীদের পিআইডি প্রদান শুরু করা হবে । বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের টাকা পরিশোধের বিষয়ে এজেন্সির দাখিলকৃত ব্যাংক স্টেটমেন্ট হজ অফিস ও হজ এজেন্সিস এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) এর প্রতি স্বাক্ষরের পরে পিআইডি প্রদান করে এসএমএস এর মাধ্যমে হজযাত্রীকে জানানো হবে । সরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের জমাকৃত টাকার হিসাব সোনালী ব্যাংকের সঙ্গে সমন্বয় করার পর পিআইডি প্রদান করে এসএম এস এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট হজযাত্রীকে জানানো হবে । আপনার নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে কি’না তা (এই লিঙ্ক এ ক্লিক করে) পিলগ্রিম অনুসন্ধান হতে যাচাই করে দেখুন ।

নিবন্ধনের পেমেন্ট ভাউচার রিসিভ করা প্রসঙ্গে

June 9, 2016

নিবন্ধনের পেমেন্ট ভাউচার অদ্য বেলা চার ঘটিকা (৪:০০টা) পর্যন্ত ব্যাংক রিসিভ ও অনুমোদন করতে পারবে । যে সকল হজ এজেন্সি নিবন্ধনের জন্য ভাউচার তৈরি করেছে, কিন্তু ব্যাংকে জমা করতে পারেনি শুধুমাত্র তাঁরাই ঐ ভাউচারটি ব্যাংকে জমা করতে পারবে। সকল ব্যাংক ইউজারদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধনের পেমেন্ট ভাউচার রিসিভ ও অনুমোদন করার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে ।

২০১৬ সনে হজযাত্রীদের নিবন্ধন সংক্রান্ত হালনাগাদ প্রতিবেদন

June 8, 2016

সকলের সদয় অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, ২০১৬ খ্রিঃ (১৪৩৭ হিজরি) সনের হজযাত্রীদের নিবন্ধন কার্যক্রম অদ্য ০৮-০৬-২০১৬ ইং রাত ৮.০০ টায় শেষ হয়েছে । এই সময় পর্যন্ত সরকারি ব্যবস্থাপনার রেজিষ্ট্রেশন ভাউচার তৈরি হয়েছে ৪৮৩৯ জনের এবং নিবন্ধন করেছেন  ৪,৬৬৬ জন হজযাত্রী এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় রেজিষ্ট্রেশন ভাউচার তৈরি করেছেন  ৮৬,৩৯৬ জন এবং নিবন্ধন সম্পন্ন করেছে ৮৫,৮২৪ জন হজেগমনেচ্ছু  । উল্লেখ্য যে, পুনরায় নোটিশ প্রদান না করা পর্যন্ত নিবন্ধন সার্ভারে সংশ্লিষ্ট সকল হজ এজেন্সির ইউজার এক্সেস বন্ধ থাকবে ।